হাঙ্গেরির নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী
'আমরা নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করব'
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২১-০৪-২০২৬ ০৫:২৪:২৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২১-০৪-২০২৬ ০৬:৩৪:০৪ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
হাঙ্গেরির নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) থেকে দেশটির প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করবেন তিনি।
সম্প্রতি ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভিক্টর অরবানকে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসা মাগয়ার জানান, হাঙ্গেরিতে আইসিসির সদস্যপদ বহাল থাকলে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত কোনো ব্যক্তি দেশটিতে প্রবেশ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
বুদাপেস্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০২৪ সাল থেকে গাজায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন।
গত বছর হাঙ্গেরিকে আইসিসি থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অরবান, যা আগামী ২ জুন কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। এর ফলে হাঙ্গেরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একমাত্র দেশ হিসেবে আদালতের এখতিয়ার অস্বীকার করার পথে ছিল। তবে ডানপন্থী তিসা পার্টির নেতা মাগয়ার বলেন, তাঁর দল বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে এবং তারা আগের সরকারের প্রত্যাহারের সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করবে।
মাগয়ার আরও বলেন, ‘দেশটি যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য হয় এবং আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত কেউ আমাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, তবে তাকে অবশ্যই হেফাজতে নিতে হবে।’
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এর কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পও নেতানিয়াহুর প্রতি দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয় এবং নেতানিয়াহু একাধিকবার ওয়াশিংটন ও ট্রাম্পের ফ্লোরিডা এস্টেটে সফর করেছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু দুজনেই অরবানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন এবং তাঁর ক্ষমতায় থাকা কামনা করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনে অরবান বড় ব্যবধানে পরাজিত হন।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সময় বিষয়টি নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাঁর উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পও নেতানিয়াহুর প্রতি দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রেখেছেন। যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয় এবং নেতানিয়াহু একাধিকবার ওয়াশিংটন ও ট্রাম্পের ফ্লোরিডা এস্টেটে সফর করেছেন।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু দুজনেই অরবানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন এবং তাঁর ক্ষমতায় থাকা কামনা করেছিলেন। তবে অরবান সাম্প্রতিক নির্বাচনে ব্যাপকভাবে পরাজিত হন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স